পিরোজপুর সদর উপজেলার ভৈরামপুর গ্রামে রোকেয়া বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধা নারীকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (২৫ জুলাই) গভীর রাতে কদমতলা ইউনিয়নের মধ্য ভৈরামপুর এলাকায় নিজ বাড়িতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত রোকেয়া বেগম স্থানীয় মৃত মোক্কাতার হাওলাদারের স্ত্রী। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। নিহতের বড় ছেলে লিটন হাওলাদার স্থানীয়ভাবে বসবাস করলেও ছোট ছেলে মহাসিন হাওলাদার কর্মসূত্রে সৌদি আরবে আছেন। মেয়ে থাকেন স্বামীর বাড়িতে।
জানা গেছে, রোকেয়া বেগম ছেলের তৈরি করা একটি ভবনে একাই থাকতেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, একাকী থাকলেও তার গলায় নিয়মিত স্বর্ণের চেইন থাকত এবং ঘরে কিছু নগদ অর্থও রাখতেন।
নিহতের বড় ছেলে লিটন হাওলাদার বলেন, “চইলশা বাজার থেকে খবর পেয়ে বাসায় এসে দেখি মা’কে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। কারা এই কাজ করেছে বুঝে উঠতে পারছি না। তবে আমাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে।”
প্রতিবেশী আমিনুল ইসলাম জানান, “সকাল ৯টার দিকে খবর পেয়ে আমরা গিয়ে দেখি রোকেয়া বেগমকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।”
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, “ঘরের জানালার গ্রিল কেটে দুর্বৃত্তরা ভেতরে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রোকেয়া বেগমকে হত্যা করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি পূর্ব শত্রুতার জের হতে পারে।”
পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।


Comment here